সকাল ১০:৫৮, সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
শিরোনাম:
★★জাহাজের নাবিক কে ছুরি মেরে আঘাত★★ শীতলক্ষ্যা-ধলেশ্বরী : জাহাজের এলোপাতাড়ি নোঙরে ঝুঁকিতে নৌপথ★★★ তারিখঃ ২৭ নভেম্বর ২০২২ খ্রিঃ রোজ রবিবার, সময় সকাল ৬.০১ মিনিট হইতে সারাদেশে নৌ পথে সকল কার্গো, বাল্কহেড এর নৌ শ্রমিকরা অবিরাম কর্মবিরতি পালনের জন্যে,,,, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জে ডকইয়ার্ডে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে জাহাজ শ্রমিকের মৃত্যু মুন্সীগঞ্জে ক্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল জাহাজ শ্রমিকের ৫০ জেলেকে কোস্টগার্ড ডিজি’র জীবনরক্ষাকারী উপকরণ বিতরন চরপাড়া ঘাটের ইজারা স্থগিতের আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার ডেক ফেটে পশুর নদীর চরে আটকা কয়লা বোঝাই কার্গো বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, আরও শক্তিশালী হতে পারে,,,,, পার্কিরচর এসে যারা এংকর করবেন অবশ্যই কর্ণফুলীর মুখের ১ নাম্বার সবুজ বয়ার ভিতরে করবেন,,,, রাতের আঁধারে সুরমা নদীতে,,,, ডিজি শিপিং কর্তৃক অনুমোদিত,,,, আবারও সুন্দরবনের হরিণের মাংসসহ চোরা শিকারি আটক ৯৩ বছর বয়সী ঐতিহ্যবাহী রকেট স্টিমার মাহসুদের ছুটে চলা ; ❌ বয়কট চরপাড়া ঘাট ❌ রামপালের কয়লা নিয়ে বিদেশি জাহাজ মোংলায়, চলছে খালাসের কাজ ১২ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি আশুগঞ্জ নৌবন্দরে বিআইডব্লিউটিএর নাম ভাঙ্গিয়ে নদীতে রাতের আঁধারে নঙ্গর করা জাহাজ থেকে এই রশিদের মাধ্যমে তারা চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে! বরিশাল-ঢাকা রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছাড়পত্রহীন জাহাজ, পণ্য পরিবহন নৌ রুটে বিশৃঙ্খলার আশংকা লঞ্চে হামলার প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বরিশাল-ভোলা রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সিরিয়াল বিহীন লাইটার জাহাজ চলাচল করায় নৌ-সেক্টরে বিশৃংখলার আশংকা অশান্ত নৌ শান্ত হবে কি? 👉ভোলায় ৫ কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ ঢাকা-বরিশাল রুটে লঞ্চের ছাদে যুবককে কু”পিয়ে হ’ত্যা মোংলায় জাহাজ থেকে পাচার করা ডিজেলসহ আটক ২ বাংলাদেশ আইন সহায়তা কেন্দ্র ফাউন্ডেশন (বাসক) এর (গভঃ রেজিঃ নং এস ১০৫৫৪/০৯) কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আনিছুর রহমান মাস্টার । প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে নৌ পথে ডাকাতি। অতি-ভয়ানক ঝুকিপূর্ণ ঢাকা চট্টগ্রাম নৌ’রুট চাঁদপুরে মা ইলিশ সংরক্ষণ ২০২২ অভিযান পরির্দশন করলেন আইজিপি

১২ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি আশুগঞ্জ নৌবন্দরে

মেরিন নিউজ ২৪ ডেস্ক (আশুগঞ্জ) আপডেটঃ রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২২, ৯:৩৪ পিএম 56 বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নদীবন্দর দেশে বাণিজ্য সহজীকরণে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ১২ বছর আগে পূর্ণাঙ্গ বন্দর হওয়ার পর থেকে তেমন কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। ভারতের পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল পরীক্ষামূলক পরিবহনের মাধ্যমে আশুগঞ্জ বন্দরটি আন্তর্জাতিক নৌবন্দর হিসেবে রূপ নেয়। তবে লাখ লাখ টন মালামাল নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে, পালাটানা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল নেয়ার পর গেল ১২ বছরে মাত্র ১৭ বার বিভিন্ন মালামাল নিয়েছে ভারত।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বর্তমান অর্থবছরে বন্দরের ইজারা মূল্য দ্বিগুণ করলেও এর সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য তেমন কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। খবর-ইনকিলাবের।

বর্তমানে আশুগঞ্জ বন্দরে পণ্য পরিবহনের জন্য মাত্র দু’টি জেটি রয়েছে। যা এখানে আসা জাহাজের সংখ্যার তুলনায় অনেক কম। অপরদিকে ভারতীয় জাহাজ নোঙর করলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জাহাজ নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে।

বন্দরের ব্যবসায়ী সাজু বলেন, প্রতিটি জাহাজ থেকে মালামাল খালাস করতে ৫-৬ দিন সময় লাগে, এতে বন্দরে জাহাজের দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয় এবং বন্দরে নোঙর করার পর সাত দিনের মধ্যে জাহাজ খালাস করা না গেলে অতিরিক্ত টাকা মাশুল গুণতে হয়। বন্দরটি বর্তমানে নৌপথে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় হচ্ছে। বন্দরটির ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনে ব্যপক চাহিদা থাকলেও বিগত ১২ বছরে অজ্ঞাত কারণে এই বন্দরের মাধ্যমে মাত্র ১৭টি চালান ত্রিপুরায় নিয়েছে।

বন্দরের একাধীক ব্যবসায়ী জানান, ২০১১ সালে ভারতের ত্রিপুরার পালাটানা পাওয়ার স্টেশন থেকে পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে বন্দরটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছিল। এর আগে আশুগঞ্জের মেঘনা নদীর ফেরিঘাট এলাকায় ছোট-বড় পণ্যবাহী জাহাজ ও বাল্কহেড নোঙর করত। বর্তমানে এ বন্দরে প্রায় দুই হাজারের বেশি শ্রমিক পণ্য লোড-আনলোড করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি মাসে রড, সিমেন্ট, পাথর, সার, ধান ও গমসহ বিভিন্ন পণ্য বোঝাই ছোট-বড় শত শত জাহাজ আশুগঞ্জ নদী বন্দরে আসে। জেটির সংখ্যা ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ানো হলে জাহাজের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বন্দরে তাদের পণ্য রাখার জন্য বিদ্যমান গুদাম ব্যবহার করতে পারে না কারণ এটি ভারতীয় পণ্য রাখার নামে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যবহার করতে দিচ্ছে না কর্তপক্ষ। তাই জাহাজ থেকে পণ্য খালাসের পর ডেলিভারিতে দেরি হলে তাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

এছাড়া ট্রাক ইয়ার্ড না থাকায় পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাকগুলো বন্দরের সামনের সড়কে দাঁড় করিয়ে রাখতে হয় বলে জানান তারা। এ ধরনের সমস্যা সমাধান ও বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে আরও পাঁচটি জেটি ও একটি ট্রাক ইয়ার্ড নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ী নাসির মিয়া বলেন, প্রতিষ্ঠার ১২ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আশুগঞ্জ নদীবন্দরের অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। আমরা জাহাজ থেকে নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস করতে পারছি না। জেটির ঘাটতি রয়েছে। আমাদের একটি ট্রাক ইয়ার্ডও দরকার।

বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক ও বন্দরের দায়িত্বে থাকা মো. শহিদুল উল্লাহ বলেন, ‘একসময় বন্দরটি খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। তখন বন্দরের ইজারা মূল্যও কম ছিল। কিন্তু এখন বন্দরের গুরুত্ব বাড়ছে। পণ্য পরিবহন বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্দরের আরও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। জেটির সংখ্যাও বাড়াতে হবে। আমরা এটা বুঝি। ব্যবসায়ীরা তাদের দাবি লিখিত আকারে পাঠালে আমরা তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেব।

মন্তব্য

আপলোডকারীর তথ্য

Mahadi Hasan Sumon

আপলোডকারীর সব সংবাদ